♦इस खबर को आगे शेयर जरूर करें ♦

৩ দিনব্যাপী আলপনা ও পিঠেপুলি উৎসবের উদ্বোধন করে কৃষিমন্ত্রী রাজ্য সরকার হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রয়াস নিয়েছে

অনলাইন ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৫: রাজ্য সরকার হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রয়াস নিয়েছে। লোকগীতি, পল্লিগীতি, বাউল সংগীত, যাত্রাপালা, নাটক, কীর্তন ইত্যাদি আমাদের আদি সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি আমাদের স্বকীয় সংস্কৃতি। বর্তমান প্রজন্ম এই স্বকীয় সংস্কৃতিকে যত বেশি চর্চা করবে, আগলে রাখবে, ততই রাজ্য তথা দেশ উপকৃত হবে। কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতনলাল নাথ আজ লঙ্কামুড়ার আলপনা গ্রামে ৩ দিনব্যাপী আলপনা ও পিঠেপুলি উৎসব ২০২৬-এর উদ্বোধন করে একথা বলেন। এই উৎসব আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আগরতলা পুরনিগম, পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদ, পূর্ত দপ্তর, গ্রামোন্নয়ন দপ্তর ও সংস্কার ভারতীর (ত্রিপুরা প্রান্ত) সহযোগিতায় এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

এই উৎসবের উদ্বোধন করে কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন, আলপনা ও পিঠেপুলি উৎসব হচ্ছে মাটির উৎসব, প্রকৃতির উৎসব। এই গ্রামের মানুষ মাটির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তারা এই গ্রামকে আধুনিকতার সাথে ঐতিহ্যের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন। এই আলপনা গ্রাম আজ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশ বিদেশে এর বার্তা পৌঁছে গেছে। অনেকে এই আলপনা গ্রামকে দেখতে আসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন ডিজিটাল হও, আধুনিক হও, স্মার্ট হও কিন্তু নিজস্ব শেকড়টা ধরে রাখুন। নিজস্ব পরম্পরা ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখুন। তবেই দেশ প্রকৃতভাবে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহিলা, কৃষক, যুবক, গরীব এই চারটি শ্রেণির উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এই চারটি শ্রেণির উন্নয়ন হলেই দেশ সামগ্রিকভাবে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কৃষি। কৃষকগণ হলেন খাদ্য উৎপাদনের ভিত্তি। তারা পুরো সমাজকে একত্রিত করে রাখেন।

কৃষকরা হলেন আমাদের অন্নদাতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষক সমাজের সার্বিক উন্নয়নে পি.এম. কিষাণ, পিএম, কুসুম, প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা ইত্যাদি প্রকল্প চালু করেছেন। মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থনৈতিকভাবে কৃষকদের সার্বিক উন্নয়ন। রাজ্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে রাজ্যে ৪, ১৬০টি স্বসহায়ক দল ছিল। এই স্বসহায়ক দলের মোট সদস্য সদস্যা ছিলেন ৩৯,৯৪১ জন। বর্তমানে রাজ্যে ৫৪,৬২৭টি স্বসহায়ক দল রয়েছে। ৫ লক্ষের উপর সদস্য সদস্যা রয়েছেন। ১ লক্ষ ৮ হাজার লাখপতি দিদি রয়েছেন। আগের সরকার স্বসহায়ক দলগুলিকে রিভলবিং ফান্ডে মোট ৪ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা লোন দিয়েছিল। বর্তমান সরকার গত ৭ বছরে স্বসহায়ক দলগুলিকে ৭৫ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা রিভলবিং ফান্ডে লোন দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের মাথাপিছু গড় আয় বেড়েছে।

রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, পানীয়জল প্রভৃতি পরিষেবার উন্নয়ন হয়েছে। তবে সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ড্রাগস। এর থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে হবে। তিনি বলেন, আগামীদিনে আমরা সবাই মিলে এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত যাতে গড়ে তুলতে পারি সেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া বক্তব্য রাখেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার ও প্রাক্তন বিধায়ক ডা. দিলীপ দাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহ-অধিকর্তা অমৃত দেববর্মা। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, আগরতলা পুরনিগমের মেয়র ইন কাউন্সিল জগদীশ দাস, কর্পোরেটর প্রদীপ চন্দ, কর্পোরেটর মিত্রা রাণী দাস, কর্পোরেটর মিঠুন দাস বৈষ্ণব, কর্পোরেটর সুপর্ণা দেবনাথ, কর্পোরেটর শিল্পী দেওয়ান, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উপ-অধিকর্তা জয়দীপ দেববর্মা, বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজীব সাহা প্রমুখ। উৎসবে কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতনলাল নাথ মোহনপুর বিধানসভা থেকে স্বউদ্যোগে তৈরি ২১ রকমের পিঠেপুলি উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে বিলি করেন। বন্দেমাতরম গীত পরিবেশন করেন সংস্কার ভারতীর শিল্পীগণ। উল্লেখ্য, গত ২০১৯ সাল থেকে এই গ্রামে আলপনা ও পিঠেপুলি উৎসব শুরু হয়েছিল। সভাপতিত্ব করেন সংস্কার ভারতীর (ত্রিপুরা প্রান্ত) সভাপতি সুবল বিশ্বাস।

व्हाट्सप्प आइकान को दबा कर इस खबर को शेयर जरूर करें


स्वतंत्र और सच्ची पत्रकारिता के लिए ज़रूरी है कि वो कॉरपोरेट और राजनैतिक नियंत्रण से मुक्त हो। ऐसा तभी संभव है जब जनता आगे आए और सहयोग करे
Donate Now
               
हमारे  नए ऐप से अपने फोन पर पाएं रियल टाइम अलर्ट , और सभी खबरें डाउनलोड करें
डाउनलोड करें

जवाब जरूर दे 

आप अपने सहर के वर्तमान बिधायक के कार्यों से कितना संतुष्ट है ?

View Results

Loading ... Loading ...


Related Articles

Close
Close
Website Design By Bootalpha.com +91 84482 65129